বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১১

কুমিল্লার ৯৮ কি.মি. ঝুঁকিপূর্ণ

কুমিল্লার ৯৮ কি.মি. ঝুঁকিপূর্ণ

দেশের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কে খানাখন্দে ভরা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উ দেশের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কে খানাখন্দে ভরা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিঞাবাজার এলাকার 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার ৯৮ কিলোমিটার অংশজুড়ে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ। সড়কের অনেক স্থানে কার্পেটিং উঠে গেছে। কয়েক জায়গায় ফাটলও ধরেছে। এতে মহাসড়কের ওই অংশে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত মহাসড়কের ওই অংশের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন চলাচল যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি চালক ও যাত্রীরা যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনায় পড়ার আশঙ্কা করছেন। এ সমস্যা সমাধানে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর বিটুমিনাস লেয়ার করছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজারে মহাসড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশে কাদা জমে আছে। সেখানে গর্তের পাশাপাশি মহাসড়কের কার্পেটিং উঠে গেছে। ওই উপজেলার আমানগন্ডা, চৌদ্দগ্রাম বাজার, চিওড়া ও বাতিশা এলাকায় মহাসড়কের মধ্যে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া এসব এলাকায় মহাসড়ক উঁচু-নিচুও হয়ে গেছে।
সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী থেকে উপজেলা সদর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে মহাসড়কে ফাটল রয়েছে। চান্দিনা বাজার এলাকায় সড়কে অনেক গর্ত দেখা গেছে। উপজেলার মাধাইয়া বাজারে কমপক্ষে ১০টি বড় গর্ত রয়েছে। এসব গর্তে কিছু ইট এনে ফেলে রাখা হয়েছে। সেখানেও যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।
আমানগন্ডার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, সওজ কর্তৃপক্ষ গর্তের মধ্যে কিছু ইট ও সুরকি ফেলে দেয়। এরপর বৃষ্টি এলে এগুলো ধুয়ে চলে যায়। তখন আগের অবস্থায় ফিরে যায় সড়ক।
মিয়াবাজারের বাসিন্দা অধ্যক্ষ মীর হারুন উর রশীদ বলেন, এ মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করাই দায়।
সওজ সূত্রে জানা গেছে, দাউদকান্দি উপজেলার মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল প্লাজা থেকে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ‘যুদ্ধজয়’ পর্যন্ত ৪৩ কিলোমিটার ১ নম্বর প্রকল্পের অধীনে, ‘যুদ্ধজয়’ থেকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিশা পর্যন্ত ৪১ কিলোমিটার ২ নম্বর এবং বাতিশা থেকে ফেনীর মোহাম্মদ আলী পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার অংশ ৩ নম্বর প্রকল্পের অধীনে। অর্থাৎ, মহাসড়কের ৯৮ কিলোমিটার অংশই তত্ত্বাবধান করছে সওজের অধীনস্থ চার লেন প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।
১ নম্বর প্রকল্পের ব্যবস্থাপক সামছুদ্দিন নান্নু বলেন, দাউদকান্দির গৌরীপুর থেকে কুমিল্লা সেনানিবাস পর্যন্ত চারটি স্থানে গর্তসহ কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গৌরীপুর, মাধাইয়া, চান্দিনা বাজার ও সেনানিবাস এলাকায় মহাসড়ক কিছুটা খারাপ। তাঁরা ইট-সুরকি ফেলে তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। বৃষ্টি কমে গেলে বিটুমিনাস লেয়ার দেওয়া হবে।
২ নম্বর প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মাসুদ সারওয়ার  বলেন, এ মুহূর্তে মহাসড়কের সমস্যা সমাধানে বিটুমিনাস লেয়ার দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে এর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে চার লেনের কাজও এগিয়ে চলছে। বৃষ্টির কারণে কাজ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। মহাসড়ক যুগোপযোগী করতে এর মধ্যে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি মিয়াবাজার এলাকায় বসানো হয়েছে। বৃষ্টির ভাব কেটে গেলে পুরোদমে কাজ হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মেরামত শুরু হবে।
সওজের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান গতকাল বিকেলে  বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হচ্ছে। কুমিল্লার ৯৮ কিলোমিটার অংশ ইতিমধ্যে চার লেন প্রকল্পে ঢুকে গেছে। এর রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের বিষয়টি চার লেন কর্তৃপক্ষই দেখে থাকে। এক বছর আগেই সড়কটি ওদের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০১১

bangladesh

কুমিল্লা

পায়ে লিখে এইচএসসিতে শারীরিক প্রতিবন্ধীর সাফল্য

পায়ে লিখে এইচএসসিতে শারীরিক প্রতিবন্ধীর সাফল্য


কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর আকবর আলী খান কারিগরি বাণিজ্যিক কলেজের ছাত্র শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. আমিনুল ইসলাম পায়ে লিখে পরীক্ষা দিয়ে এইচএসসি সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ- ৪.১ পেয়েছে। শারীরিক অক্ষমতা আমিনুলের সাফল্যের সামনে বাঁধা হতে পারেনি। তার দুটি হাত কাজ না করলেও অধম্য ইচ্ছাশক্তির কারণে পায়ে কলম ধরে পরীক্ষায় দিয়ে এ বছর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সাফল্য পেয়েছে সে। জানা যায়, জন্ম থেকে তার হাত-পা বাঁকা। শিশুকালে হারিয়েছে বাবাকে। মা বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকে আয়ার কাজ করে কোনো মতে সংসার চালাচ্ছেন। এর মধ্যে আমিনুল টিউশনি করে এবং প্রতি শুক্রবারে বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে মুসল্লিদের আর্থিক সাহায্য নিয়ে লেখাপড়ার খরচ চালায়।  এর আগে সে নরসিংদীর সুদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পায়ে লিখেই এসএসসি সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৩.২০ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিল। তার প্রবল ইচ্ছা লেখাপড়া শেষ করে একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়ার। প্রমাণ করতে চান শারীরিক প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়।
জানা গেছে, নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার শিদিরপুর গ্রামে আমিনুল ইসলামের জন্ম। মায়ের কর্মস্থলের সুবাদে নরসিংদী থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বসবাস করছে সে।
আমিনুল ইসলাম দুঃখ করে বলেন, অনেক সংগ্রাম করে এ পর্যায়ে এসেছি। জানি না পরবর্তীতে কিভাবে লেখাপড়া চালিয়ে যাব।
গৌরীপুর আকবর আলী খান কারিগরি বাণিজ্যিক কলেজের প্রভাষক গোলাম মোস্তফা বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও ছেলেটি খুব মেধাবী ও পরিশ্রমী। লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে কলেজ তাকে যাবতীয় সহযোগিতা করেছে। সহযোগিতা পেলে সে লেখাপড়ায় আরো এগিয়ে যাবে। তিনি সমাজের বিত্তবানদের আমিনুলের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান।

বুধবার, ১৫ জুন, ২০১১

চৌদ্দগ্রামে ৩ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৬৪ জামায়াত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা, ১২ জুন (শীর্ষ নিউজ ডটকম): কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ৩ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৬৪ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, চুরি, মারধর, প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগে পৃথক ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার কুমিল্লার আদালতে ২টি ও অপরটি শনিবার চৌদ্দগ্রাম থানায় দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, রোববার কুমিল্লার ৪নং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও কাশিনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহ মিজানুর রহমানসহ ১৯ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জয়মঙ্গলপুর গ্রামের মো. মীর হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। একই আদালতে জামায়াত নেতা কনকাপৈত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন মজুমদারসহ  ২৪ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালকোট গ্রামের সোহেল আলম মজুমদার বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামালউদ্দিন মামলা ২টি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চৌদ্দগ্রাম থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে, শনিবার চৌদ্দগ্রাম থানায় চিওড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী জামায়াত নেতা শাহনেওয়াজ কাজলসহ ২১ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আব্দুল হালিম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এই ৩টি মামলায় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, চুরি, মারধর, ভাঙচুর, প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়।
এ ব্যাপারে জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মো. শাহজাহান বলেন, চৌদ্দগ্রামে বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা দেখে মামলা দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে নেয়ার নীলনকশা করেছে আওয়ামী লীগ। 

কুমিল্লা, ১৪ জুন (শীর্ষ নিউজ ডটকম): কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ৪নং কড়িকান্দি ইউনিয়নের ৪টি ভোট কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দাবি করেছেন এক চেয়ারম্যান প্রার্থী। আজ মঙ্গলবার চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মোশাররফ হোসেন কেন্দ্রেগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা চেয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রগুলো হচ্ছে, বিরামকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্দরামপুর (পশ্চিম) প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কড়িকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন কেন্দ্র। তিনি এ সকল কেন্দ্রে ইতিপূর্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারের কাছে দাবি জানান। 

কুমিল্লায় হরতালে ৫ বিএনপি কর্মীর কারাদণ্ড

কুমিল্লায় হরতালে ৫ বিএনপি কর্মীর কারাদণ্ড

কুমিল্লা, ১২ জুন (শীর্ষ নিউজ ডটকম): কুমিল্লায় হরতালে পিকেটিং করার সময় ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ রোববার আটকের পর তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপস্থাপন করলে আদালত তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়।
জানা যায়, হরতালের প্রথমদিনে শহরের কান্দিরপাড়, চকবাজার, রাজগঞ্জসহ বিভিন্ন সড়কে মিছিল-মিটিং, পিকেটিং করেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলো। হরতালের সমর্থনে জেলা বিএনপির দুই গ্রুপই শহরের বিভিন্ন সড়কে পৃথক পৃথক মিছিল করে। সকালে পিকেটিংকালে বাপ্পী (২২), আবু হানিফ (১৭), পারভেজ (২৩), ডালিম আহমেদ (৩৬) ও সোহেল (৩০) নামে বিএনপি কর্মীকে পুলিশ আটক করে। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে এ সাজা দেয়া হয়।

রবিবার, ৫ জুন, ২০১১

হিজলায় জামায়াত অফিস দখল করে ছাত্রলীগের অফিস স্থাপন : পবিত্র কোরআন নদীতে নিক্ষেপ, আসবাবপত্র ভাংচুর

হিজলায় জামায়াত অফিস দখল করে ছাত্রলীগের অফিস স্থাপন : পবিত্র কোরআন নদীতে নিক্ষেপ, আসবাবপত্র ভাংচুর

হিজলা উপজেলা জামায়াতের কার্যালয় দখল করে ছাত্রলীগের অফিস বানানো হয়েছে। এ সময় শহীদ বাকী উল্লাহ স্মৃতি পাঠাগার এবং জামায়াত অফিসে ব্যাপক লুটপাট ও তাণ্ডব চালানো হয়। অফিস অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পোস্টার লাগিয়ে এবং অফিসের সামনে ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, হিজলা উপজেলা কার্যালয়’ লেখা একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয়া হয়।
গতকাল সকাল ১১টায় এ ঘটনা ঘটে। জামায়াতের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা জামায়াত কার্যালয় ও পাঠাগারের সব আসবাবপত্র, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, পাঠাগারের বিভিন্ন পুস্তক ও পবিত্র কোরআনসহ অন্যান্য কাগজপত্র নদীতে ফেলে দিয়েছে। পুলিশ এ দখল দৃশ্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে বলেও অভিযোগ তাদের। তবে এ ধরনের ঘটনার কথা অস্বীকার করে ওসি বলেন, হিজলা উপজেলায় জামায়াত-ছাত্রশিবির বা তাদের কোনো অঙ্গসংগঠনের অফিস নেই।
হরতাল চলাকালে গতকাল সকাল ১১টায় হিজলা উপজেলা ও কলেজ ছাত্রলীগ যৌথভাবে হরতালবিরোধী একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এক পর্যায়ে টেকেরবাজার সংলগ্ন উপজেলা জামায়াত কার্যালয় ও সংযুক্ত শহীদ বাকী উল্লাহ স্মৃতি পাঠাগারে ভাংচুর করে। তারা এ দুটি অফিসের সব আসবাবপত্র এবং কোরআন শরীফসহ অন্যান্য পুস্তক নদীতে ছুড়ে ফেলে। ভাংচুর ও তছনছ শেষে ছাত্রলীগের সাইনবোর্ড টানিয়ে এ অফিস দখল করা হয়।
হিজলা থানা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক নুরুল আমিন অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, হিজলা থানা ওসির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জামায়াতের অফিস দখল করেছে ছাত্রলীগ-আ’লীগের ক্যাডাররা। অফিসে হামলা শুরু হলে সঙ্গে সঙ্গে ওসিকে জানালে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার বদলে তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তিনি আরও বলেন, শহীদ বাকী উল্লাহ স্মৃতি পাঠাগারের নামে ক্রয় করা জমিতে আমাদের নিজস্ব স্থাপনা। সেখানের একটি অংশ ভাড়া নিয়ে জামায়াতের থানা কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয় দীর্ঘদিন থেকে। তবে হিজলা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, আসবাবপত্র তছনছ বা জামায়াতের অফিস দখলের ঘটনা এই প্রথম শুনলাম। তিনি বলেন, হিজলা উপজেলা জামায়াত-ছাত্রশিবির বা তাদের কোনো সংগঠনের অফিসই নেই।
এদিকে হিজলা থানা জামায়াতের কার্যালয় এবং পাঠাগার দখলের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বরিশাল জেলা ও মহানগর নেতারা। বিবৃতিদাতারা হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বরিশাল মহানগরীর আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল, নায়েবে আমির বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ বজলুর রহমান বাচ্চু, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, জামায়াত বরিশাল পূর্ব জেলা আমির অধ্যাপক আবদুল জব্বার, সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, পশ্চিম জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা হাবিবুর রহমান, নায়েবে আমির আলহাজ আবদুর রব, সেক্রেটারি মো. আজিজুর রহমান অলিদ।
বিবৃতিতে তারা বলেন, তথাকথিত বাকশালী শাসন ব্যবস্থা জাতি এখন প্রত্যক্ষ করছে। বাংলাদেশের কলঙ্কিত ইতিহাস রচনায় পারঙ্গম আওয়ামী লীগ তাদের আসল চরিত্রে ফিরে যাচ্ছে। ফ্যাসিবাদী এ দলটির সন্ত্রাসীরা আমাদের অফিস ও পাঠাগার জবরদখল করে নিল আর পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকল। এ অবস্থায় দেশের মানুষ অসহায়। নেতারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা


পপসম্রাট খ্যাত সংগীতশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা আজম খানের মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, সংস্কৃতিসেবী, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ পপসম্রাটকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য উপস্থিত হয়েছে।
শহীদ মিনারে আজম খানের মরদেহ আনা হলে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গার্ড অব অনার প্রদান করে। এখন পর্যন্ত আজম খানের মরদেহ সেখানেই রাখা হয়েছে।
এর আগে, আজ সকাল সাড়ে ছয়টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে কমলাপুরের জসীমউদদীন রোডের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরিবারের লোকজন, পাড়া-প্রতিবেশী এবং আত্মীয়-স্বজনদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। এরপর বাড়ির সামনেই সকাল নয়টায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে আজম খানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজম খানের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কেন্দ্রীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। সেখানে জানাজা শেষে আজম খানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে।

শুক্রবার, ৩ জুন, ২০১১



                                  মেসিকে ঘুষি!

| তারিখ: ০৪-০৬-২০১১
পরশু রোজারিওতে ভক্তবেষ্টিত লিওনেল মেসি। এখানেই সেই ঘুষির ঘটনা!
রয়টার্স

রিয়াল মাদ্রিদ, ভিয়ারিয়াল, সেভিয়া—কত দলের কত সমর্থকের মন ভেঙেছেন লিওনেল মেসি। স্পেনে তাঁর ‘শত্রু’ থাকতেই পারে। ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সমর্থকদের স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছেন, বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন প্লে-মেকারকে ‘শত্রু’ ভাবতে পারে তারাও। কিন্তু আর্জেন্টিনায় কি মেসির শত্রু আছে বা থাকতে পারে! আর্জেন্টাইনদের স্বপ্নের বাহক যে তিনি।
আশ্চর্যের ব্যাপার, আর্জেন্টিনায়ও ‘শত্রু’ আছে মেসির, আছে প্রতিপক্ষ। আর না হলে তাঁর নিজের শহর রোজারিওতে তাঁকে ঘুষি মারবে কে! ঘটনাটা গত পরশুর। বার্সেলোনাকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতিয়ে মেসি আর্জেন্টিনায় ফিরেছেন মিশন কোপা আমেরিকায়। কত দিন পর বাড়ি ফিরেছেন। রোজারিওর একটি রেস্তোরাঁয় অটোগ্রাফ দিচ্ছিলেন সমর্থকদের। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সইশিকারিদের ভিড়ের মধ্য থেকেই এক তরুণ ঘুষি হাঁকিয়েছিল মেসির দিকে।
মেসি ব্যাপারটিকে মোটেই বড় করে দেখেননি। আর্জেন্টাইন মহাতারকা এটি স্বীকারই করছেন না, ‘আমার গায়ে কারও হাতই লাগেনি। এমনকি অনুভবও করিনি।’ তবে মেসির দিকে ঘুষি বাগিয়ে আসা এক যুবককে অনেকেই দেখেছেন। অবশ্য ঘুষি মেরেই দৌড়ে পালিয়ে গেছে সে। অনেকেরই ধারণা, যে লোকটি মেসিকে লক্ষ্য করে ঘুষি মেরেছিল, সে নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব রোজারিওর সমর্থক হয়ে থাকবে।
এএফপি, রয়টার্স।

হরতালে শক্তি দেখাতে চায় বিএনপি-জামায়াত

হরতালে শক্তি দেখাতে চায় বিএনপি-জামায়াত

রোববারের হরতালে শক্তি দেখাতে চায় বিএনপি ও এর নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরিক দল জামায়াতে ইসলামী। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া হরতাল সফল করতে দলীয় প্রস্তুতি সরাসরি তদারক করছেন বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।
বিএনপির নেতারা মনে করেন, দেশের মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে। তাই এই দাবিতে ডাকা কালকের হরতাল সফল করার ওপর নির্ভর করছে দলটির ভবিষ্যৎ আন্দোলন কর্মসূচি।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শীর্ষনেতাদের গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক চাপে পড়ে জামায়াত। দলটি এক বছর ধরে অনেকটা চুপচাপ ছিল। এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দলটি বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে শক্তি প্রয়োগের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বর্তমান সরকারের আমলে এটি জামায়াতের প্রথম হরতাল কর্মসূচি।
কালকের হরতালে বাধা দিলে আবারও হরতাল কর্মসূচি ঘোষণার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল দুটি।
তবে বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, সংসদের চলতি অধিবেশনে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনসংক্রান্ত বিলের ওপর তাঁদের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ভর করছে। বিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা রাখা হলে বিএনপি তাদের আন্দোলনের ফসল হিসেবে কৃতিত্ব নেবে। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা রাখা না হলে কঠোর কর্মসূচির দিকে যাবে দলটি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা সরকারের বর্তমান অবস্থার বিরুদ্ধে আরও শক্ত কর্মসূচির কথা ভাবছি।’
এর আগে বিএনপির ডাকা তিনটি হরতালই দলটি এককভাবে পালন করেছে। আগের হরতালগুলোর দুটি ছিল খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ি রক্ষা এবং একটি হরতাল ছিল খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলেদের বিরুদ্ধে থাকা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে। ওই তিনটি হরতাল সরকারের ওপর তেমন চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি।
এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহাল রাখার দাবিতে আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক মাঠ নিজেদের পক্ষে নিতে চায় বিএনপি। বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় খালেদা জিয়া হরতাল কর্মসূচি কঠোরভাবে পালনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতির নির্দেশ দেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান প্রথম আলোকে বলেন, কালকের হরতাল বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই হরতাল ভবিষ্যতে বিএনপির জন্য আন্দোলনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করবে। তিনি এই হরতালকে সরকারের জন্য সতর্কসংকেত বলে দাবি করেন।
দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একটি সূত্র জানায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা রাখতে সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটির কাছে প্রস্তাব দেওয়ার ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বিএনপি। এ ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে দলটি।
বিএনপির সাংগঠনিক বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা কয়েকজন নেতা জানান, কালকের হরতালকে তাঁরা সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। এ জন্য সারা দেশের বিএনপি নেতাদের মাঠে নামতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজধানীতে হরতাল সফল করতে মহানগর শাখা ও ঢাকার আশপাশের জেলার নেতাদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের হরতালের দিন মাঠে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বিএনপি এই হরতাল কঠোরভাবে পালন করবে।
জামায়াতের তৎপরতা: কালকের হরতাল কর্মসূচি সামনে রেখে জামায়াত গোপনে সাংগঠনিক নানা প্রস্তুতি নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
১ জুন সংবাদ সম্মেলন ডেকে হরতালের কর্মসূচি ঘোষণার পর জামায়াতের নেতারা অনেকগুলো বৈঠক করেছেন। এই কর্মসূচি সামনে রেখেই গতকাল ঢাকা মহানগর জামায়াতের থানা পর্যায়ের আমির সম্মেলন হয়। এর আগে দলের শ্রমিক সংগঠন ও ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করা হয়।
দলটি হরতালে ছাত্রশিবিরকে ব্যাপকভাবে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোর কাছে স্বীকার করেছেন, ‘হরতালে ছাত্রশিবির অবশ্যই মাঠে থাকবে।’
দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির মতো জামায়াতও কালকের হরতালকে তাদের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। এ কারণে হরতালে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে জামায়াত দলের সহযোগী সংগঠনগুলোকেও নির্দেশ দিয়েছে।
জানতে চাইলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘৫ জুন হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে, তবে শক্তভাবে করা হবে। এটাকে আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি।’
যুদ্ধাপরাধের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্যাপক চাপে পড়া জামায়াত চারদলীয় জোটকে সক্রিয় করতে অনেক চেষ্টা চালায়। কিন্তু বিএনপি আগ্রহ না দেখানোয় এত দিন সে চেষ্টা সফল হয়নি। এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলনকে কাজে লাগাতে চায় দলটি।
জামায়াতের ঢাকা মহানগর শাখার সেক্রেটারি ও সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এই হরতালে জামায়াতের অংশগ্রহণ বেশি থাকবে।
এ ছাড়া চার দলের অন্যান্য শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), ইসলামী ঐক্যজোট ও খেলাফত মজলিস ছাড়াও সমমনা ছোট ছোট কয়েকটি দল এ হরতাল কর্মসূচি সমর্থন করেছে।

কুমিল্লায় বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

         কুমিল্লায় বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আজ শনিবার ভোরে ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও তিনজন।
জানা গেছে, আজ ভোর চারটার দিকে উপজেলার বাস স্ট্যান্ডের কাছে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রাক ও ঢাকাগামী একটি যাত্রী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের চালক ও দুইযাত্রী নিহত হয়েছে। আহত তিনযাত্রীকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের পরিচয় তাত্ক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

‘সাকার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা যেতে পারে’


‘সাকার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা যেতে পারে’

‘সাকার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা যেতে পারে’

খালেদা জিয়ার ঢাকা সেনানিবাসের বাড়ি দেওয়া-নেওয়ার এখতিয়ার সেনাবাহিনীরই বলে মন্তব্য করায় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাংসদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর এ মন্তব্য ‘আদালত অবমাননার’ শামিল।
সুরঞ্জিত বলেন, “সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেছেন, খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ি নিয়ে সরকার, আদালত কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কিছু করার নেই। এই বিতর্কের সুরাহা করার এখতিয়ার কেবল সেনাবাহিনীরই.. এই বক্তব্যের অর্থ হলো সেনাবাহিনীকে আলাদা গোত্র হিসাবে চিহ্নিত করা।”
এই বক্তব্যের মাধ্যমে সাকা চৌধুরী রাষ্ট্র পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়ে সেনাবাহিনীকে ‘ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত’ করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাড়িটি খালেদাকে ছেড়ে দিতে ১৩ অক্টোবর আদালতের আদেশের পর চলমান আলোচনার মধ্যেই বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী রোববার সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে তার মতামত তুলে ধরেন।
সালাউদ্দিন বলেন, “এই বাড়িটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিংবা সরকারের মাথা ঘামানোর বিষয় নয়। এনিয়ে আমাদের রাজনীতিবিদদেরও বির্তকে যাওয়া ঠিক নয়। এটা সেনাবাহিনীর ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত।”
সুরঞ্জিত এ ব্যাপারে পরিষ্কার করে বলেন, নির্বাহী বিভাগের একটি অংশ হচ্ছে সেনাবাহিনী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকার এই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে।
তিনি প্রশ্ন রাখেন, “রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগ- আইন, নির্বাহী ও বিচার বিভাগ থেকে সেনাবাহিনীকে আলাদা করার ধারণা তিনি কোত্থেকে পেলেন?”
“সংবিধান অনুসারে প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। আর সেনাবাহিনী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী বিভাগের একটি অংশ,” বলেন সুরঞ্জিত।
খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদে সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তরের দেওয়া নির্দেশ ঠেকাতে বিএনপি আদালতে গিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সুরঞ্জিত বলেন, “তিনি এমন সময় এ মন্তব্য করলেন যখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি চূড়ান্ত হয় নি। যা আদালত অবমাননার শামিল।”
এ ব্যাপারে আদালতে রায় তাদের পক্ষে গেলে বিএনপি এটাকে আইনের শাসনের উদাহরণ হিসাবে আখ্যায়িত করত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
জ্যেষ্ঠ এই আওয়ামী লীগ নেতা আরো বলেন, “আদালতের রায় তাদের বিপক্ষে যাওয়ায় তারা এখন খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ি নিয়ে বিতর্কের সুরাহা আদালতের বাইরে করতে চায়।”
তিনি বলেন, হাইকোর্টের দেওয়া রায় চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে।
সেনানিবাসের মইনুল সড়কের বাড়ি ছাড়তে সরকারের দেওয়া নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদার করা রিট আবেদন খারিজ করে গত ১৩ অক্টোবর রায় দেয় হাইকোর্ট।
২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দেয় সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তর। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৩ মে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
Ìbgy§wËk Rwl ÌhwU Ìbtwt 17 Rd AwUK AwgbÖlöwp Awl iwiÖd Ìbgy§wk DeËRlwk 13 BDxdtËd xgxâQdí bÖ’GKxU NUdw QwrwB mwxìZôeÔYê exkËgËm xdgêwPd oóed pËtËQ„ eÞmwod I AwBd mÙvLlw kqwKwky gwxpdyk Krwxdkwe£w ËgÄxdk icø xbËt xdgêwPd AdÖxÅZ pt„ xdgêwPËd ÌhwUwkËbk DexþÿxZ xQËlw ÌPwËL erwk iËZw„ AhÔZeÔgê mwxìæeÔYê ÌhwU AdÖxÅZ pt 13xU BDxdtËd„ Rwl ÌhwU eÞbwËdk AxhËjwËM xgxhdí ÌKËëbÝ 17 RdËK AwUK KËk kwLwk AxhËjwM ewItw ÌMËQ„ GQwrw xdgwêPd AdÖÅwdKwËl RwfkM™ BDxdtËdk xhrwlöw okKwky eÞwaxiK xgbøwlt, ÌiwpdeÖk BDxdtËdk KÖkØBd okKwky eÞwaxiK xgbøwlt, Glwpwgwb BDxdtËdk Glwpwgwb e: okKwky eÞwaxiK xgbøwlt, mÖheÖk okKwky eÞwaxiK xgbøwlt, fÖlZly okKwky eÞwaxiK xgbøwlt I oÖxgl BDxdtËd eÞwayêËbk oiaêKËbk iËcø ovNËnêk xgxâQdí NUdwk ovgwb ewItw ÌMËQ„ 13 BDxdtËdk 120xU ËhwU ÌKËëbÝ oKwl 8Uw ÌaËK xgËKl 4Uw ejêìZô ÌhwU MÞpd AdÖxÅZ pËtËQ„ 1 lwL 90 pwRwk 4 m’43 ÌhwUwËkk iËcø ÌPtwkiøwd eÞwaêy 76 Rd ovkxqZ ixplw oboø eÞwayê 106 Rd I owcwkd oboø eÞwayê 582Rd op ÌiwU 764 Rd eÞwayê D£ß xdgêwPËd eÞxZ§xëbZw KËkËQd„

comillas

Ëbgy§wËk 9xUËZ AwItwiylyM I 4xUËZ xgzGdxe ÌPtwkiwd xgRty AwgbÖlöwp Awl iwiÖd/owBfÖl Bolwi xmxmk KÖxilöwk Ëbgy§wk DeËRlwk 13 xU BDxdtd exknb xdgêwPËd 9xUËZ AwItwiylyM oixaêZ ÌPtwkiøwd Ggv 4xUËZ xgGdxe oixaêZ ÌPtwkiøwd eÞwaêy xdgêwxPZ pËtËQd„ G xdgêwPdxU xQl KÖxilöw ÌRlwt eÞai bfw BDxdtd xdgêwPd„ xdgêwPËd AhÔZeÔgê mwxìZôeÔYê exkËgËm ËhwU MÞpY AdÖxÅZ pËtËQ„ jwkw ÌgokKwxkhwËg xdgwêxPZ pËtËQd 1dv grmwlNk BDxdtËd xgGdxe ËdZw RxpkØl Bolwi hÔBtw (Awdwko) 4614 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêxPZ pËtËQ Zwk xdKUZi eÞxZ§xë§ AwItwiylyM oixaêZ Ìiw: BDdÖQ iwÄwk (ÌbwtwZ Kli) 3794 ÌhwU ÌeËtËQd„ 2dv BDoÖfeÖk BDxdtËd AwItwiylyM oixaêZ Ww· Rxoi Dx¥d AwpËib (Awdwko) 3166 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêPZ pËtËQ, Zwk xdKUZi eÞxZ§xë§ owËgK KÖxilw D£k ÌRlw Qw¢lyM ohwexZ Ìiwþæfw Kwiwl ËeËtËQd 2465 ÌhwU, 3dv koÖleÖk BDxdtËd AwItwiylyM oixaêZ AwgÖl KwËmi (Zwlw) 3308 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêxPZ pËtËQd, Zwk xdKUZi eÞxZ§ë§y xgGdxe oixaêZ xfËkwR AwpËóôb Ìgbd Lw (MkØk Mwxr) 2462 ÌhwU, 4dv oÖxgl BDxdtËd AwItwiylyM oixaêZ Gi· G kxmb (MkØk Mwxr) 2328 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêxPZ pËtËQ, Zwk xdKUZi eÞxZ§ë§y xgGdxe oixaêZ AwgÖ ZwËpk (Zwlw ) 2095 ÌhwU ÌeËtËQd„ 6dv fËZpwgwb BDxdtËd xgGdxe oixaêZ LëbKwk Gi· G· Qwlwi (Ìbtwl Nxr) 8793 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwxPêZ pËtËQ, Zwk xdKUZi eÞxZ§ë§y RwiwtwZ oixaêZ ZwRÖl Bolwi (ÌbwtwZ Kli) 5186 ÌeËtËQd„ 7dv Glwpwgwb BDxdtËd AwItwiylyM xgËbÝwpy eÞwayê xokwRÖl Bolwi (Awdwko) 4783 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwxPêZ pËtËQ, Zwk xdKUZi eÞxZ§xë§ Aw’lyM oixaêZ AwgbÖl Qwlwi hÔBtw (MkØk Mwxr) 2622 ÌhwU ÌeËtËQd„ 8dv RwfkM™ BDxdtËd xgGdxe oixaêZ xiRwdÖk kpiwd (ËbwtwZ-Kli) 2819 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêxPZ pËtËQd, Zwk xdKUZi eÞxZ§ë§y AwItwiylyM oixaêZ Ëowpkwg ÌpwËod (Zwlw) 2575 ÌhwU ÌeËtËQd„ 11dv kwRwËipwk BDxdtËd AwItwiylyM oixaêZ RwpwŠyk Awli (Zwlw) 3617 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwxPêZ pËtËQd, Zwk xdKUZi eÞxZ§xë§ xgGdxe oixaêZ ixdkØl Bolwi ZwRÖ (MkØk Mwxr) 3222 ÌhwU ÌeËtËQd„ 12dv hwdy BDxdtËd AwItwiylyM oixaêZ Gi G pwdíwd (Awdwko) 5250 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêxPZ pËtËQd, Zwk xdKUZi eÞxZ§ë§y xgGdxe oixaêZ pwkØd Ak kxmb (Ìbtwl Nxr ) 4640 ÌhwU, 13 dv cwiZy BDxdtËd AwItwiylyM ÌdZw Ìiw: itdwl ÌpwËod ixdk (Awdwko) 3231 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêxPZ pËtËQd, Zwk xdKUZi eÞxZ§ë§y AwgÖl Kwlwi AwRwb 2592 ÌhwU ÌeËtËQd„ 14dv oÖlZwdeÖk BDxdtËd AwItwiylyM oixaêZ Ìiwmwkf ËpwËod (Zwlw) 4691 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêxPZ pËtËQd, Zwk xdKUZi eÞxZ§ë§y oZìè mxfKÖl Bolwi (Kwe xexkP) 3931 ÌhwU ÌeËtËQd„ 15 dv gkKwiZw BDxdtËd xgGdxe oixaêZ pwkØd Ak kxmb (Ìbtwl Nxr) 5469 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêPZ pËtËQd, Zwk xdKUZi eÞxZ§ë§y AwItwiylyM MxY hÔBtw Awdwko 4857 ÌhwU ÌeËtËQd„ 16dv ÌiwpdeÖk BDxdtËd AwItwiylyM oixaêZ ZwRÖl Bolwi (Zwlw) 4227 ÌhwU ÌeËt ÌgokKwxkhwËg xdgwêxPZ pËtËQd, Zwk xdKUZi eÞxZ§ë§y xgGdxe oixaêZ oxpbÖl Bolwi ÌLwKw 3943 ÌhwU ÌeËtËQd„

http://www.facebook.com/editprofile.php?sk=basic&success=1#!/profile.php?id=100002519313977

Debidwar

Debidwar

Debidwar is an Upazila of Comilla District in the Division of Chittagong, Bangladesh.
Debidwar has 16 Unions, 143 Mauzas/Mahallas, and 201 villages.

Debidwar Upazila with an area of 238.36 sq km, is bounded by muradnagar upazilas on the north, chandina upazila on the south, burichang and brahmanpara upazilas on the east, Muradnagar upazila on the west. Main rivers are gumti and Buri.

Debidwar (Town) consists of two mouzas. Its area is 4.32 sq km. The town has a population of 9782; male 52.32% and female 47.68%; population density per sq km 2264. Literacy rate among the town people is 56.9%.


Administration
Debidwar thana was established in 1915 and was turned into an upazila in 1980. The upazila consists of 16 union parishads, 141 mouzas, 201 villages.

Historical events On 31 March 1971, in an encounter with the Pak army on the Comilla-Sylhet highways 33 Bangalis were killed.

Marks of War of Liberation Mass grave 1.

Population 336877; male 50.33%, female 49.67%; Muslim 93.24%, Hindu 6.5% and others 0.26%.

Religious institutions Mosque 451, temple 27, tomb 9.

Literacy and educational institutions Average literacy 35.1%; male 43.65%, female 26.5%. Educational institutions: college 9, high school 43, madrasa 29, government primary school 120, non-government primary school 37, low cost school 18 and satellite school 17. Noted educational institution: Debidwar Reazuddin High School (1918).

Cultural organisations Club 57, theatre group 1 and press club 1.

Main occupations Agriculture 53.68%, commerce 10.12%, service 10.09%, agricultural labourer 13.75%, wage labourer 1.6%, transport 2.8% and others 7.96%.

Land use Total cultivable land 16179.68 hectares; fallow land 1075 hectares; single crop 3.75%, double crop 41.27% and treble crop 54.98%.

Land control Among the peasants 18.38% are landless, 25.31% marginal, 31.15% small, 23.68% intermediate and 1.48% rich; land per head 0.15 hectare.

Value of land The market value of the land of the first grade is 17000 Taka per 0.01 hectare.

Main crops Paddy, wheat, potato, mustard seed, brinjal, betel leaf, cauliflower and cabbage.

Extinct or nearly extinct crops Sesame, tobacco, jute, peanut, kaun, varieties of pulses.

Main fruits Guava and litchi.

Fisheries, dairies, poultries Fishery 7, dairy 5, poultry 30.

Communication facilities Roads: pucca 38.31 km, semi pucca 20 km, mud road 450 km; waterways 14 nautical mile.

Traditional transport Palanquin, bullock cart, horse carriage. These means of transport are either extinct or nearly extinct.

Manufactories Jute mill 4, cold storage 3, ice factory 5 and brick field 7.

Hats, bazars and fairs Total number of hats and bazars are 26, most noted of which are Dighirpar, and Rasulpur Hat; fairs 3, most noted of which is Ponra Mela.

Main exports Betel leaf, potato, cauliflower, fish, milk and jute goods.

NGO activities Operationally important NGOs are brac, asa, grameen bank, Pages, nijera kari, Vitamin A Project, Agro Care, Speed and SDA.

Health centres Upazila health complex 1, family planning centre 12 and CMH unit 1.

Institutions

* Reaz Uddin Pilot High School.
* Kurchap High School
* Marichakand Addwisha High School
* Gov't Sujat Ali College
* Jobeda Khatun Women's College
* Nabarun Biddya Niketon
* Boro shalghar Adarsha College
* Mofiz Uddin Girls High School
* Hilful Fuzul Adorsho School
* Alhaz Ajgor Ali Munshi Girls High School
* Dhampti Habibur Rahman High School
* Gonga Mondal Raj Institution